এই মন্ত্রণালয় মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং একটি আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার কাজ করে।
১. প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
শিক্ষার্থী অধিকার রক্ষা: কোনো শিক্ষার্থী যদি মনে করে তার সাথে অন্যায় করা হয়েছে (যেমন: ভুল নম্বর দেওয়া বা সহপাঠীর দ্বারা হয়রানি), তবে সে এই মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারে।
বিবাদ মীমাংসা: ছাত্র-শিক্ষক বা দুই ছাত্রের মধ্যে কোনো বড় মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব তৈরি হলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা।
শাস্তির বিকল্প উদ্ভাবন: প্রথাগত শাস্তির বদলে সৃজনশীল ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থার (যেমন: বাগান করা বা লাইব্রেরি পরিষ্কার করা) মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফেরানো।
২. প্রশাসনিক কাঠামো
মন্ত্রণালয়টি তিনটি প্রধান শাখা নিয়ে গঠিত:
অভিযোগ সেল (The Listening Post): যেখানে শিক্ষার্থীরা বেনামে তাদের সমস্যার কথা লিখতে পারে।
জুরি বোর্ড (Student Jury): প্রতিটি স্কুলে একটি করে বোর্ড থাকবে, যেখানে মেধাবী ও সৎ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হবে। তারা ছোটখাটো বিবাদের বিচার করবে।
কাউন্সেলিং উইং (The Peace Unit): অভিজ্ঞ মনোবিজ্ঞানীদের একটি দল, যারা শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করবে।
৩. বিশেষ কিছু আইন (কাল্পনিক)
টিফিন বিরতি সুরক্ষা আইন: কোনো শিক্ষক বা কর্তৃপক্ষ টিফিন পিরিয়ডের সময় কোনো বিশেষ কারণ ছাড়া ক্লাস নিতে পারবেন না।
সৃজনশীল স্বাধীনতা আইন: মুখস্থ বিদ্যার চাপে কোনো শিক্ষার্থীর সৃজনশীল প্রতিভা (যেমন: ছবি আঁকা বা গান) বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।
বন্ধুত্ব প্রোটোকল: স্কুলে বুলিং বা একে অপরকে হেয় প্রতিপন্ন করাকে কঠোর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
একটি বিশেষ নোট:
এটি সম্পূর্ণ একটি কাল্পনিক মন্ত্রণালয়। বাস্তবে বাংলাদেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সমস্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে স্কুলের ভেতর এমন একটি "কোর্ট" ব্যবস্থা থাকলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ এবং ন্যায়বিচারের ধারণা আরও প্রবল হতো।